কোচিং সেন্টারে ১২ ঘন্টায় ৩ পড়ুয়ার আত্মহত্যা, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের টনক নড়ল

1/8: আজকের দিনে সর্বত্র প্রতিযোগিতা। কোথাও কলেজে ভর্তি হ‌ওয়ার প্রতিযোগিতা যেমন আছে, তেমনই আছে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতা প্রমাণের লড়াই। উচ্চশিক্ষা বা চাকরির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাস করে সুযোগ পাওয়ার জন্য প্রস্তুতিতে বিন্দুমাত্র ঢিলে দেওয়ার জো নেই। সঠিক প্রস্তুতির জন্য গড়ে উঠেছে নানান ট্রেনিং সেন্টার।

2/8: এরমধ্যে রাজস্থানের কোটায় দেশের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলির প্রশিক্ষণের বিভিন্ন নামজাদা কোচিং প্রতিষ্ঠানগুলোর হাব তৈরি হয়েছে। সারা দেশ থেকে অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের এই কোচিং সেন্টারগুলোয় ভর্তি করার জন্য উঠে পড়ে লাগেন। এখানে পড়া ছেলেমেয়েদের সাফল্যের হার‌ও যথেষ্ট। কিন্তু সেই কোটাতেই মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে তিন পড়ুয়ার মৃত্যুতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। 

3 students died in coaching center in 12 hours

3/8: কোটার কোচিং সেন্টারগুলিতে পড়ে সর্বভারতীয় স্তরে কঠিন কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য পাওয়ার হার যথেষ্ট বেশি। তাই অভিভাবকদের পাশাপাশি বহু পড়ুয়াও সেখানকার কোচিং সেন্টারগুলোয় ভর্তি হতে চায়। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরেই অভিযোগ উঠছে, কোটার কোচিং সেন্টারগুলো পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রচণ্ড চাপ তৈরি করে ছাত্রছাত্রীদের উপর।

4/8: সেই চাপ সহ্য করতে না পেরে অনেকেই অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন। গত মঙ্গলবার মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ৩ পড়ুয়ার আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনাতেও কোচিং সেন্টারের এই অমানুষিক চাপ তৈরির অভিযোগ উঠছে। যা নিয়ে সেখানে পড়তে আসা পড়ুয়াদের অভিভাবকরাও যথেষ্ট উদ্বিগ্ন।

5/8: পড়ুয়াদের পাশাপাশি অভিভাবক এবং শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে এই কোচিং সেন্টারগুলো নিজেদের মধ্যে তীব্র রেশারেশিতে মেতে ওঠে। যে কোচিং সেন্টারের সাফল্যের হার বেশি হবে সেখানে তত বেশি ছেলেমেয়েরা ভর্তি হবে। সেইসঙ্গে কোর্স ফি হিসেবে তত বেশি অর্থ আদায় করা যাবে।

6/8: উল্লেখ্য কোটার এই কোচিং সেন্টারগুলোয় ভর্তির কোর্স ফি আকাশ ছোঁয়া হলেও তার চাহিদাও গগনচুম্বী। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গিয়েই কোচিং সেন্টারগুলো তাদের পড়ুয়াদের উপর অমানুষিক চাপ তৈরি করে। দিনের মধ্যে প্রায় ১৪-১৫ ঘণ্টা পড়াশোনা করতে বাধ্য করে বলে অভিযোগ। তার জেরেই পরপর তিনজনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

7/8: কোটার ছাত্রদের আত্মহত্যার বিষয়টি সর্বভারতীয় স্তরে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন‌ও। তারা ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে রাজস্থান সরকার ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের রিপোর্ট তলব করেছে। নিজেদের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্তকারী দল‌ও কোটায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

8/8: ঘটনা হল, কোটার কোচিং সেন্টার নিয়ে আগেই তৎপর হয়েছে রাজস্থান সরকার। তারা কোর্স ফি বৃদ্ধি সহ একাধিক ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ‌ও জারি করেছে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির যে বিশেষ বদল ঘটেনি তা পরিষ্কার। এই বিষয়ে শিক্ষাবিদদের মতে, শুধু কোচিং সেন্টার নয়, সন্তানকে নিয়ে অভিভাবকদের লাগামছাড়া প্রত্যাশ্যাও এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী। অভিভাবকরা চাইছেন বলেই কোচিং সেন্টারগুলোর এতো রমরমা।

বিঃদ্র: নতুন কোনো চাকরির আপডেট মিস করতে না চাইলে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে যান। নিচে যুক্ত (Join) হওয়ার লিংক দেওয়া রয়েছে ঐ লিংকে ক্লিক করলেই যুক্ত হয়ে যেতে পারবেন। ওখানেই সর্বপ্রথম আপডেট দেওয়া হয়। আর আপনি যদি অলরেডি যুক্ত হয়ে থাকেন এটি প্লিজ Ignore করুন। 

Important Links:  👇👇
কাজকর্ম WhatsApp গ্রুপে জয়েন হোনClick Here
✅ Telegram ChannelJoin Now

🔥 আরো গুরুত্বপূর্ণ আপডেট- Click Here