দরকারে টেট পরীক্ষা বন্ধ করে দেব! পর্ষদের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে বললেন বিচারপতি, কি হয়েছে? জানুন

রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রের অনিয়ম দূর করতে প্রশাসন আদৌ কতটা আগ্রহী এই নিয়ে নানা মহলে শংসয় তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর টেট পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা হলেও সেখানে জটিলতার শেষ নেই। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের একের পর এক বিতর্কিত পদক্ষেপের জেরে চাকরিপ্রার্থীরা একের পর এক আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। সবমিলিয়ে সমস্যা মেটার বদলে প্রাথমিকের টেট ঘিরে নতুন করে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আইন মেনে কাজ না হলে টেট পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)

If necessary, I will close the TET exam The judge said angry with the behavior of the board

বিচারপতি কেন TET বন্ধের হুশিয়ারি দিলেন? 

কলকাতা হাইকোর্টে প্রায় রোজই শিক্ষক নিয়োগ ও টেট পরীক্ষা নিয়ে কোন‌ও না কোনও মামলার শুনানি থাকছে। বুধবার‌ও তেমনই এক মামলার শুনানি ছিল। ২০১৭ এর টেট পরীক্ষার ফল প্রকাশের এক বছর পর সবে টেট উত্তীর্ণরা প্রাপ্ত নম্বর জানতে পেরেছেন। কিন্তু আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও বহু আগে হয়ে যাওয়া ২০১৪ এর টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা এখনও নিজেদের প্রাপ্ত নম্বর জানতে পারেননি। পর্ষদের পক্ষ থেকে দ্রুত নম্বর প্রকাশের আশ্বাস দেওয়া হলেও কবে সেই নম্বরে প্রকাশ করা হবে তা নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে নতুন করে যে ১১ হাজার ৭৬৫ জন শিক্ষক নিয়োগের কথা ঘোষণা করেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ, তাতে আবেদন করতে সমস্যা হচ্ছে টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের। সবচেয়ে বড় কথা প্রাপ্ত নম্বর জানা না থাকায় ফের মেধা তালিকায় কারচুপির আশঙ্কায় ভুগছেন তাঁরা এর‌ই প্রতিকার চেয়ে কিছু চাকরিপ্রার্থী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তেমনই এক মামলার শুনানি চলাকালীন পর্ষদের ভূমিকা দেখে ক্ষব্ধ হয়ে ওঠেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি সটান বলেন, “পর্ষদ মোটেও বন্ধুর মতো আচরণ করছেন না।”

এর পর‌ই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমি আমার আগের কথা প্রত্যাহার করছি। অনিয়ম দেখলে পরীক্ষা আটকে দেব। এটা যেন মনে রাখে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।”

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আগে কী বলেছিলেন?

দিন কয়েক আগে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ও টেট সংক্রান্ত এক মামলার শুনানিতে‌ই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, “আমি নিয়োগের পথে বাধা হবে না।” এর কারণ‌ও ব্যখ্যা করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, চাকরিপ্রার্থীরা নিয়োগের জন্য অপেক্ষা করছে। তাই তিনি এতে কোন‌ও বাধা সৃষ্টি করতে চান না। কিন্তু বুধবার পর্ষদের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিচারপতি আগের সেই মন্তব্য থেকে সরে গিয়ে দরকারে টেট পরীক্ষাই বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন

শিক্ষা মহলের একাংশের মতে, বিচারপতির কড়া মন্তব্যের পর প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের হুঁশ ফিরলে ভালো। নাহলে পরিস্থিতি আর‌ও জটিল হবে।

বিঃদ্র: নতুন কোনো চাকরির আপডেট মিস করতে না চাইলে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে যান। নিচে যুক্ত (Join) হওয়ার লিংক দেওয়া রয়েছে ঐ লিংকে ক্লিক করলেই যুক্ত হয়ে যেতে পারবেন। ওখানেই সর্বপ্রথম আপডেট দেওয়া হয়। আর আপনি যদি অলরেডি যুক্ত হয়ে থাকেন এটি প্লিজ Ignore করুন। 

Important Links:  👇👇
কাজকর্ম WhatsApp গ্রুপে জয়েন হোনClick Here
✅ Telegram ChannelJoin Now

🔥 আরো চাকরির আপডেট 👇👇

🎯 টেটে ২১৫ জনের ৬ নম্বর করে বেড়ে গেল

🎯 ১১ তারিখের টেট পরিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ঘোষনা পর্ষদের

🎯 বাতিল হওয়া ২৬৮ প্রাইমারি শিক্ষক আবার চাকরি ফিরে পেল