টেট পরীক্ষার জন্য চাকরিরত শিক্ষকরাও আবেদন করছে! নতুনদের জন্য আর এক সমস্যা, কি বলছে পর্ষদ?

২০১৪ সালের টেট পাস ‘নন ইনক্লুডেড’ এবং ২০১৭ এর টেট পাস মিলিয়ে প্রায় ২৯ হাজার চাকরিপ্রার্থী দীর্ঘদিন ধরে রাস্তায় বসে আন্দোলন করছেন। তাঁদের দাবি, শূন্য পদের সংখ্যা বাড়িয়ে সকলকে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগ করতে হবে।

কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ঘোষিত মোট শূন্য পদের সংখ্যা মাত্র ১১ হাজার ৭৬৫ টি। এই অবস্থায় কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকরা চাকরিপ্রার্থীদের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁরাও নতুন করে চাকরির জন্য আবেদন করতে শুরু করেছেন! ফলে পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে।

In-service teachers are also applying for the TET exam

কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকরা কেন টেট পরীক্ষায় বসছে?

নতুন শূন্য পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে তাতে বর্তমানে কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের নতুন করে চাকরির জন্য আবেদন করতে কোন‌ও বাধা নেই। এদিকে ২০১২ এবং ২০১৪ এর যে টেট পাশরা গত কয়েক বছরে চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের অনেকেই বাড়ি থেকে দূরে, কেউ কেউ আবার ভিন জেলার স্কুলে চাকরি করছেন।

এই পরিস্থিতিতে বাড়ির কাছের স্কুলে বদলি হয়ে আসার চেষ্টা করেও অনেকে সফল হননি। তাই নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গিয়ে বাড়ির কাছের স্কুলে চাকরি পাওয়ার জন্যই আবেদন করা শুরু করেছেন ‘ইন সার্ভিস’ অর্থাৎ কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকরা।

কর্মরত শিক্ষকরা আবেদন করায় সুযোগ কমছে নতুনদের

২০১৪ ও ২০১৭ এর টেট পাস চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, তাঁদের সকলকেই নিয়োগ করতে হবে। কিন্তু আন্দোলনকারীদের সেই দাবিতে কান না দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ নিজেদের মতো করে শূন্য পদের সংখ্যা ঘোষণা করেছে। এদিকে পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি ভালো করে খুঁটিয়ে দেখলে দেখা যাবে টেট পাশ বেকার চাকরিপ্রার্থীদের জন্য শূন্য পদের প্রকৃত সংখ্যা মাত্র ৫,৬০০ এর আশেপাশে।

বাকি পদগুলিতে প্রাথমিকে কর্মরত পার্শ্বশিক্ষক, প্রাক্তন সেনাকর্মী সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের এগজেম্পটেড ক্যাটাগরিতে নিয়োগ করা হবে। সেখানে টেট পাশ চাকরিপ্রার্থীদের জায়গা হবে না।

কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়ে সমস্যা কেন? 

যেসমস্ত ‘ইন সার্ভিস’ অর্থাৎ কর্মরত বা চাকরিরত প্রাথমিক শিক্ষকরা নিয়োগের জন্য আবেদন জানাচ্ছেন, নির্বাচিত হলে তাঁদেরকে ওই ৫,৬০০ শূন্য পদের মধ্য থেকেই চাকরি দেওয়া হবে। ফলে ২০১৪ ও ২০১৭ এর টেট পাস চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বরাদ্দ শূন্য পদের সংখ্যা স্বাভাবিক নিয়মেই আরও কমে যাবে। এই বিষয়টি নিয়ে আন্দোলনকারীদের মধ্যেও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

প্রাইমারি পর্ষদ এমনটা ঘোষনা করেনি যে, কর্মরত বা চাকরিরত প্রাইমারি শিক্ষকরা নতুন টেট পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবেন না। তাই যেসমস্ত প্রাইমারি শিক্ষকদের বাড়ি থেকে অনেক দূরে পোস্টিং হয়েছে তারা বাড়ির কাছাকাছি চাকরি পাওয়ার আশায় আবার নতুন করে টেট পরীক্ষা পাশ করে বাড়ির কাছাকাছি চাকরি পেতে চাইছে। 

গোটা বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নজরেও এসেছে। আজ অর্থাৎ বুধবার পুজোর ছুটি কাটিয়ে পর্ষদের অফিস খুলছে। এরপরই ‘ইন সার্ভিস’, অর্থাৎ কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের নতুন করে চাকরির জন্য আবেদন করা নিয়ে কোন‌ও একটা সিদ্ধান্ত হতে পারে।

👍চাকরি ও কাজের আপডেট মিস না করতে চাইলে আমাদের ‘টেলিগ্রাম চ্যানেলে’ যুক্ত হয়ে যান

Join Kajkarmo Telegram.jpeg

Important Links:  👇👇

কাজকর্ম Whatsapp গ্রুপে জয়েন হোন- Click Here

🔥 আরো চাকরির আপডেট 👇👇 

🎯 টেট পরীক্ষা নিয়ে নতুন এক সিদ্ধান্ত পর্ষদের

🎯 ইনফোসিসে বাড়িতে থেকেই 24,500 টাকা বেতনের কাজের সুযোগ

🎯 দুটি জেলাতে প্রাইমারি টেটের কোনো শূন্যপদ নেই

🎯 দেশের সবথেকে বড়ো ব্যাংকে 1400 কর্মী নিয়োগ