প্রতি মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ইনকাম, খুব সহজেই শুরু করুন এই ব্যাবসা

ব্যবসা (Business) করে উপার্জন করাতেই এখন অনেকে মনে দিয়েছেন। কারণ চাকরির বাজার বিশেষ ভালো নয়। তাতে নিজে খেটে নিজেই নিজের ভাত-কাপড়ের বন্দোবস্ত করা মন্দের নয়। কিন্তু কী ব্যবসা করবেন?

চিরাচরিত বহু ব্যবসা আছে। কিন্তু শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা সহজে মুদিখানা দোকান বা গ্যারাজ খুলে বসতে চায় না। তারা আধুনিক ব্যবসা করে রোজগারপাতি করতে চায়। এদিকে ব্যবসার পুঁজির‌ও একটা ব্যাপার আছে। সেটা যদি অনেক হয় তবে বেকারদের সব স্বপ্নের ওখানেই ইতি।

তাই আজ আপনাদের তুলনায় কম খরচে শুরু করা যাবে এমন এক ব্যবসার সন্ধান দেব। যাতে শুরু থেকেই মোটা টাকা লাভ করতে পারবেন। সেইসঙ্গে এই ব্যবসা তুলনায় স্মার্ট। আর যথেষ্ট চাহিদা‌ও আছে। তাই আমাদের কথামতো সহজেই আপনি শুরু করতে পারেন এই স্মার্ট ব্যবসা‌।

Income around 50 thousand Rs per month, start this business very easily

পলিউশন টেস্টিং সেন্টার খুলুন

1/6: আপনি কোন ব্যবসা করবেন তা নিয়ে আমাদের আজকের পরামর্শ হল, বর্তমানে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পলিউশন টেস্টিং সেন্টারের ব্যবসা (Pollution Testing Business) শুরু করুন। বর্তমানে প্রতিনিয়ত গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে। সেখানে পলিউশন টেস্টিং সেন্টার খুললে আপনার মোটা টাকা লাভ হতে পারে। এতে বিনিয়োগ‌ও অনেক কম করতে হবে।

2/6: বিষয়টা বুঝিয়ে বলা যাক। স্কুটি-বাইক থেকে শুরু করে প্রাইভেট গাড়ি, বাস, ট্রাক সমস্ত মোটোর ভেহিক্যালের‌ই রাস্তায় নামতে গেলে পলিউশন সার্টিফিকেট থাকাটা জরুরি। নাহলেই পুলিশ মোটা টাকা ফাইন করবে। এখন প্রশ্ন হল এই পলিউশন সার্টিফিকেট দেবে কে?

3/6: আপনাকে যে পলিউশন টেস্টিং সেন্টারের ব্যবসার কথা বলা হচ্ছে, এখান থেকেই পলিউশন সার্টিফিকেট ইস্যু হয়। এটা ৩, ৬ ও ১২ মাসের জন্য একটি পলিউশন টেস্টিং সেন্টার ইস্যু করতে পারে। তবে সাধারণত ১ বছরের পলিউশন সার্টিফিকেট ইস্যু করতেই দেখা যায়।

4/6: প্রত্যেক পলিউশন টেস্টিং সেন্টারে প্রতিদিন কয়েকশো গাড়ি তাদের সার্টিফিকেট রিনিউ করতে আসে। এরজন্য আপনার নিজস্ব বা ভাড়া জমি থাকলেই হল। তবে সেই জমি মূল রাস্তার পাশে থাকতে হবে। এরপর বাকি পরিকাঠামো গড়তে বড়জোর দেড় থেকে দু’লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলেই হবে।

5/6: একটা হলুদ রঙের কেবিন তৈরি করতে হবে (এই রং সরকার নির্ধারিত)। সেইসঙ্গে পরিবহণ দফতর থেকে পলিউশন টেস্টিং সেন্টার চালানোর লাইসেন্স নিতে হবে। এই লাইসেন্সের জন্য ৫ হাজার টাকা ফি দিলেই হবে। প্রতিবছর সেন্টারের লাইসেন্স রিনিউ করতে হয়।

6/6: যা দেখা গিয়েছে তাতে একটি পলিউশন টেস্টিং সেন্টার প্রতিদিন ১-২ হাজার টাকা লাভ করে। যা মাসের শেষে গিয়ে ৪৫-৬০ হাজার টাকার মধ্যে থাকে। অর্থাৎ, মাত্র ২ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা আয়ের সুযোগ আছে এই ব্যবসায়।

বিঃদ্র: নতুন কোনো চাকরির আপডেট মিস করতে না চাইলে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে যান। নিচে যুক্ত (Join) হওয়ার লিংক দেওয়া রয়েছে ঐ লিংকে ক্লিক করলেই যুক্ত হয়ে যেতে পারবেন। ওখানেই সর্বপ্রথম আপডেট দেওয়া হয়। আর আপনি যদি অলরেডি যুক্ত হয়ে থাকেন এটি প্লিজ Ignore করুন। 

Important Links:  👇👇
কাজকর্ম WhatsApp গ্রুপে জয়েন হোনClick Here
✅ Telegram ChannelJoin Now

🔥 আরো চাকরির আপডেট 👇👇  

🎯 পেয়ারা চাষ করেই কোটিপতি এই শিক্ষিত যুবক

🎯 প্রতিদিন ২ টাকা জমিয়ে মাসে মাসে ৩০০০ টাকা করে পান

🎯 LIC-র এই স্কিমে মাসে ৩৬ হাজার টাকা পাওয়া যাবে!