ইডির হাতে গেলো রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা, বিচারপতির কেন এমন সিদ্ধান্ত? জানুন!

বাংলার শিক্ষাক্ষেত্রে যে দুর্নীতি হয়েছে তা দেশের আর কোথাও হয়নি বলে অনেকেই দাবি করছেন। সত্যি বলতে যত দিন যাচ্ছে ততই এই দুর্নীতির বিষয়ে নতুন নতুন তথ্য উঠে আসছে। যা জেনে তাজ্জব হয়ে যেতে হয়। ইতিমধ্যেই সিবিআই এই দুর্নীতির তদন্ত করছিল‌ই দীর্ঘদিন ধরে।

তারাই চাঞ্চল্যকর সব তথ্য একের পর এক সামনে নিয়ে আসছিল। তাদের থেকে পাওয়া তথ্য থেকেই জানা যায় রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগে শুধু দুর্নীতি হয়নি, বিপুল পরিমাণ বেআইনি অর্থের লেনদেন হয়েছে। আর তাই এবার বাংলার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করবে ইডি (ED)। সিবিআই-এর পর এই কেন্দ্রীয় এজেন্সি যুক্ত হল নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে।

State teacher recruitment corruption case is now in the hands of ED

রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ মামলায় ইডি কেন তদন্ত করবে?

1/4: রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআই (CBI) বিপুল পরিমাণ বেআইনি অর্থ লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে। তারা সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টেও জানিয়েছে। বিশেষ করে এসএসসির মাধ্যমে নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির বহর দেখে চক্ষু চরকগাছ হয়ে গিয়েছে সিবিআই-এর গোয়েন্দাদের‌ও। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে এই সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই।

2/4: সিবিআই-এর রিপোর্ট খতিয়ে দেখে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বোঝেন নবম-দশমের নিয়োগে শুধু দুর্নীতি হয়নি, বিপুল পরিমাণ বেআইনি অর্থের লেনদেন‌ও হয়েছে। এই বেআইনি আর্থিক লেনদেনের গোড়ায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযুক্ত তদন্তকারী সংস্থা হচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ED। এরপরই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) নির্দেশ দেন, নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করবে বিডিফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর।

3/4: উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তবে তারা সরাসরি রাজ্যের কোন‌ও নির্দিষ্ট নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত করছিল না। কিন্তু বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশের পর এবার সিবিআই-এর পাশাপাশি এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে যুক্ত হল ইডি।

4/4: বিশেষজ্ঞদের মতে সিবিআই রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতি মামলার পর্দা ফাঁস করে ফেলেছে। এক্ষেত্রে যে বিপুল বেআইনি আর্থিক লেনদেন হয়েছে তার সঙ্গে কারা জড়িয়ে, তার শিকড় কতদূর বিস্তৃত, কোথা থেকে টাকা এসেছে এবং সেই টাকা কোথায় গিয়েছে সেসব জানতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের প্রয়োজন ছিল। কারণ ভারতবর্ষে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের তদন্তের ক্ষেত্রে ইডির চেয়ে দক্ষ কোন‌ও সংস্থা নেই। এর ফলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার একেবারে শিকড়ে গিয়ে পৌঁছনো সম্ভব হবে বলে তাঁরা মনে করছেন।

বিঃদ্র: নতুন কোনো চাকরির আপডেট মিস করতে না চাইলে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে যান। নিচে যুক্ত (Join) হওয়ার লিংক দেওয়া রয়েছে ঐ লিংকে ক্লিক করলেই যুক্ত হয়ে যেতে পারবেন। ওখানেই সর্বপ্রথম আপডেট দেওয়া হয়। আর আপনি যদি অলরেডি যুক্ত হয়ে থাকেন এটি প্লিজ Ignore করুন। 

Important Links:  👇👇
কাজকর্ম WhatsApp গ্রুপে জয়েন হোনClick Here
✅ Telegram ChannelJoin Now

🔥 আরো চাকরির আপডেট 👇👇

🎯 ৮ হাজার জনের চাকরি বাতিল শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা

🎯 এবার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে

🎯 গ্র্যাজুয়েশন পাশ করেই চাকরি