টেট পাশ অথচ 40 বছর বয়স তাদের জন্য সুখবর, বিচারপতির নির্দেশে আশার আলো চাকরিপ্রার্থীদের

তাদের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে কোন‌ও চাকরিপ্রার্থীকে বঞ্চিত করা চলবে না, তা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে ফের একবার বুঝিয়ে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় সংস্থা NCTE-এর নিয়ম অনুযায়ী ৪০ ঊর্ধ কেউ শিক্ষক পদে আর আবেদন করতে পারবেন না বলে পর্ষদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে। 

কিন্তু দুর্নীতির কারণে বঞ্চিত টেট পাস চাকরিপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে যে সহজে এই নিয়ম প্রয়োগ করা চলবে না তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিচারপতি। উল্লেখ্য চলতি বছরে ১১ হাজার ৭৬৫ জন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে পর্ষদ। 

TET pass while 40 years old is good news for them

ঠিক কী বলেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়? 

পুজোর ছুটির পর সোমবার থেকে কলকাতা হাইকোর্টের কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম দিনেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই এক চাকরি প্রার্থী মামলা করে অভিযোগ করেন, ২০১৪ এর টেটে ভুল প্রশ্নের কারণে টেটে তিনি কম নম্বর পেয়েছিলেন। 

পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে তাঁর নম্বর বাড়ানো হয়। কিন্তু ততদিনে বয়স ৪০ বছর পেরিয়ে যাওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেননি। ওই চাকরিপ্রার্থীর আর্জি, তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার হয়েছেন। তাঁকে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে দেওয়া হোক। 

এই মামলার শুনানি শেষেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পরিষ্কার জানান, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে চাকরিপ্রার্থীরা বঞ্চিত হতে পারে না। পর্ষদের কয়েকজন আধিকারিক ও আমলার জন্য বহু চাকরিপ্রার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সেই ক্ষতিগ্রস্থদের নিয়মের কথা তুলে ধরে বঞ্চিত করলে চলবে না। তাই ওই মামলাকারী সহ যে সমস্ত চাকরিপ্রার্থী পর্ষদের দুর্নীতির কারণে বঞ্চিত হয়েছেন এবং বয়স ৪০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে তাঁদের বিষয়টি আলাদা করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। 

প্রয়োজনে এই সমস্ত চাকরিপ্রার্থীদের জন্য আলাদা করে ইন্টারভিউ বোর্ড গঠন করে গোটা বিষয়টি দেখার কথাও বিচারপতি বলেছেন।

TET পাশ 40 বছর বয়সীদের দেওয়া হবে সুযোগ?

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এই নির্দেশের ফলে ২০১৪ ও ২০১৭ এর টেট পাস চাকরি প্রার্থীদের অনেকেই আশার আলো দেখছেন। বিশেষ করে যাদের বয়স ৪০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। তবে বিচারপতির এই নির্দেশের ফলে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের মাথাব্যথা যে বাড়ল তা বলাই চলে।

কারণ একদিকে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার নিয়মের বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে তাদেরই কারণে বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে সুবিচার করার দায়। সব মিলিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীরা যেমন আশার আলো দেখছেন তেমনই মাথাব্যথা বাড়ছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের। এখন দেখার তারা এই গোটা পরিস্থিতি কীভাবে সামলায়।

বিঃদ্র: নতুন কোনো চাকরির আপডেট মিস করতে না চাইলে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে যান। নিচে যুক্ত (Join) হওয়ার লিংক দেওয়া রয়েছে ঐ লিংকে ক্লিক করলেই যুক্ত হয়ে যেতে পারবেন। ওখানেই সর্বপ্রথম আপডেট দেওয়া হয়। আর আপনি যদি অলরেডি যুক্ত হয়ে থাকেন এই মসেজটি প্লিজ Ignore করুন। 

Important Links:  👇👇

কাজকর্ম Whatsapp গ্রুপে জয়েন হোন: Click Here

✅ Telegram Channel: Click Here

🔥 আরো চাকরির আপডেট 👇👇

🎯 প্রাইমারি টেটে টুকলি আটকাতে নতুন পদক্ষেপ পর্ষদের

🎯 উচ্চমাধ্যমিকের প্রশ্ন নিয়ে চরম বিভ্রান্তি

🎯 সরকারি অ্যাটমিক এনার্জি দপ্তরে গ্রুপ-C কর্মী নিয়োগ