থমকে গেলো স্কুলের শিক্ষক বদলি প্রক্রিয়া! বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের যুক্তিপূর্ণ নির্দেশ

রাজ্যের শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া থমকে যাওয়ার মুখে। আগে প্রতিটি স্কুলে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত নির্ধারিত হবে, তারপরেই মাস্টারমশাইদের বদলি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিলেন সাড়া ফেলে দেওয়া বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। সোমবার এক শিক্ষকের বদলির আবেদন সংক্রান্ত মামলায় এমন‌ই মন্তব্য করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক সর্বস্তরের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলোয় ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত ঠিক নেই বলে দীর্ঘদিনের অভিযোগ। গ্রাম ও জেলা থেকে শিক্ষকদের ক্রমাগত কলকাতা ও শহরতলী স্কুলগুলিতে চলে আসার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই নিয়ে শিক্ষা মহলে যথেষ্ট উদ্বেগ ছড়িয়েছে। এবার বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হল আদালত। 

The school teacher transfer process has stopped

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কী বলেছেন?

1/5: সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে পুরুলিয়ার এক প্রাথমিক শিক্ষকের বদলি সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। ঘটনা হল, ওই প্রাথমিক শিক্ষক ‘উৎসশ্রী’ পোর্টালের মাধ্যমে বদলির আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তাতে কোন‌ও লাভ হয়নি। এরপরই তিনি কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। সেই মামলার উঠেছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে।

2/5: মামলাকারীর আইনজীবীর বক্তব্য শুনেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলে বসেন, “আগে ভালো করে পড়ান, তারপর বদলি হবে।” তিনি এ‌ও জানান, রাজ্যের স্কুলগুলোর ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত যতক্ষণ না নির্ধারিত হচ্ছে, ততক্ষণ তিনি অন্তত কোন‌ও বদলির নির্দেশ দেবেন না। এই নিয়ে কোন‌ও সিদ্ধান্ত নেবেন না বলেও জানিয়ে দেন বিচারপতি।

3/5: রাজ্যের স্কুলগুলোর শিক্ষকরা একে একে বদলি হয়ে গেলে ছেলেমেয়েদের কে পড়াবে সেটাই আদালতের অন্যতম প্রধান মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, শিক্ষকদের সঠিক বেতন ও অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার যেমন অধিকার আছে, তেমনই ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষালাভের অধিকার আছে। কিন্তু স্কুলগুলোতে পড়ানোর মানুষ ক্রমশ কমছে। ফলে পড়ুয়াদের সেই অধিকার কতটা রক্ষিত হচ্ছে তা নিয়ে বিচারপতি চিন্তিত হয়ে উঠেছেন। 

4/5: তবে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়‌ই শুধু নন, এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের আরেক বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু‌ও রাজ্যের স্কুলগুলোতে ছাত্র-শিক্ষকের অনুপাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

5/5: তিনি সরকারকে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট রিপোর্ট তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়‌ও শেষপর্যন্ত সেই পরামর্শ দেন। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এই নির্দেশের ফলে শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া আপাতত থমকে গেল বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

বিঃদ্র: নতুন কোনো চাকরির আপডেট মিস করতে না চাইলে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে যান। নিচে যুক্ত (Join) হওয়ার লিংক দেওয়া রয়েছে ঐ লিংকে ক্লিক করলেই যুক্ত হয়ে যেতে পারবেন। ওখানেই সর্বপ্রথম আপডেট দেওয়া হয়। আর আপনি যদি অলরেডি যুক্ত হয়ে থাকেন এটি প্লিজ Ignore করুন। 

Important Links:  👇👇
কাজকর্ম WhatsApp গ্রুপে জয়েন হোনClick Here
✅ Telegram ChannelJoin Now

🔥 আরো গুরুত্বপূর্ন আপডেট- Click Here