৮ হাজার জনের চাকরি বাতিল হবেই, শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা- রিপোর্ট জমা দিল CBI

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এসএসসি (WB SSC) প্রথমে ১৮৩ জনের একটি তালিকা প্রকাশ করে। যারা মেধা তালিকায় গরমিল করে চাকরি পেয়েছিল বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে আরও ৪০ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। যাদের বিরুদ্ধে ওএম‌আর শিটে কারচুপি করে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ আছে।

তবে নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্ত করা সিবিআই (CBI) সূত্রে খবর, মাত্র ২২৩ জন নয়, পরীক্ষার উত্তরপত্রে (SLST 2016) কারচুপি করে চাকরি পাওয়ার তালিকা অনেক লম্বা। তদন্ত শেষে প্রায় আট হাজার জনের চাকরি যাওয়া একরকম নিশ্চিত!

8,000 people will lose their jobs, it's just a matter of time

কাদের এবং কেন চাকরি যাওয়া নিশ্চিত? 

1/5: ২০১৬ এর স্কুল সার্ভিস কমিশনের তালিকা অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়েই বিতর্ক সবচেয়ে তুঙ্গে উঠেছে। এই তালিকায় নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষকরা যেমন আছেন, তেমনই স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে স্কুলগুলিতে গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি’র চাকরি পাওয়া অশিক্ষক কর্মীরাও আছেন। সিবিআই কলকাতা হাইকোর্টে যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে জানিয়েছে, একজন-দুজন নয় কমপক্ষে ৮,১৬৩ জন শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন।

2/5: সিবিআইয়ের দাবি এই ৮,১৬৩ জন ওএম‌আর শিটে কারচুপি করে নিজেদের নম্বর বাড়িয়ে নিয়ে চাকরি পেয়েছেন। এতে চাকরিপ্রার্থীদের পাশাপাশি এসএসসির নিচুতলা থেকে উপরের তোলার কর্তারা জড়িত আছে। তাদের এই দাবির স্বপক্ষে সিবিআই কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্য ও উত্তরপ্রদেশ থেকে উদ্ধার হওয়া এসএসসির হার্ডডিস্কের কথা উল্লেখ করেছে।

3/5: উল্লেখ্য ‘নাইসা কমিউনিকেশন প্রাইভেট লিমিটেড‘ নামে একটি বেসরকারি সংস্থাকে এসএসসি তাদের ওএমআর শিট মূল্যায়ন করতে দিয়েছিল। সেই সংস্থার তিনটি হার্ডডিস্ক বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। তাতে এসএসসির প্রায় ২৩ লক্ষ ডেটাবেস পাওয়া গিয়েছে। যা ভালো করে খতিয়ে দেখে সিবিআই প্রমাণ পেয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ৮,১৬৩ জন ওএমআর শিট কারচুপির মাধ্যমে চাকরি পেয়েছেন।

4/5: অবশ্য এই কথা সিবিআই প্রথম বলেনি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে প্রথমে গঠিত বাগ কমিশন তাদের প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টেও এমনই কেলেঙ্কারির কথা উল্লেখ করেছিল। সিবিআইয়েরর তথ্য অনুযায়ী ২০১৬-এর এস‌এসসির এসএলএসটি পরীক্ষার মাধ্যমে যে ২৩,৪৪৯ জন শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী চাকরি পেয়েছেন তার প্রায় ৩৫ শতাংশ‌ই এই ওএম‌আর শিট কেলেঙ্কারিতে জড়িত।

5/5: রাজ্যের অভিজ্ঞ আইনজীবীদের মতে, এই ৮,১৬৩ জনের‌ও চাকরি বাতিল করে দেবে হাইকোর্ট। সেটা এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। এদিকে চাকরিপ্রার্থীদের একাংশের দাবি, সঠিকভাবে তদন্ত এগোলে ওএম‌আর শিট কারচুপি করে চাকরি পাওয়ার সংখ্যা আর‌ও অনেক বাড়বে।

বিঃদ্র: নতুন কোনো চাকরির আপডেট মিস করতে না চাইলে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হয়ে যান। নিচে যুক্ত (Join) হওয়ার লিংক দেওয়া রয়েছে ঐ লিংকে ক্লিক করলেই যুক্ত হয়ে যেতে পারবেন। ওখানেই সর্বপ্রথম আপডেট দেওয়া হয়। আর আপনি যদি অলরেডি যুক্ত হয়ে থাকেন এটি প্লিজ Ignore করুন। 

Important Links:  👇👇
কাজকর্ম WhatsApp গ্রুপে জয়েন হোনClick Here
✅ Telegram ChannelJoin Now

🔥 আরো চাকরির আপডেট 👇👇

🎯 রাজ্যে ফুড সেফটি বিভাগে চাকরি

🎯 টেটের রেজাল্ট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষনা পর্ষদ সভাপতির

🎯 ২০২২ টেট পরীক্ষা নিয়েও কোর্টে মামলা হতে পারে