চাকরি ছেড়ে টেটের প্রস্তুতি! দিনে কত ঘন্টা পড়তেন জানালেন রাজ্যে প্রথম ইনা সিংহ

Leave the job and prepare for TET! Ina Singh was the first in the state to tell how many hours he used to study a day

বাড়িতে অসুস্থ বাবা। আর তাই চোখে অনেক স্বপ্ন থাকলেও একটি বেসরকারি সংস্থায় ছোটখাট চাকরিতে ঢুকতে বাধ্য হয়েছিলেন। তবে টেট পরীক্ষা (TET Exam) সামনে চলে আসায় প্রস্তুতির জন্য ঝুঁকি নিয়েই সেই চাকরি ছেড়ে দেন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল শুক্রবার দুপুর ১ টায় তার প্রমাণ পেয়ে গেলেন পূর্ব বর্ধমানের আলমগঞ্জের ইনা সিংহ (Ina Singha)। বছর ত্রিশের এই তরুণী এবারের টেট পরীক্ষায় সারা রাজ্যের মধ্যে প্রথম স্থান (First Rank) অধিকার করেছেন। 

গত ১১ ডিসেম্বর টেট পরীক্ষা হয়েছিল। তার ঠিক দু’মাসের মাথায় শুক্রবার দুপুরে ১ টায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ টেট পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে। মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার মত টেটের মেধা তালিকা বার করা হয়েছে। আর তাতেই দেখা যাচ্ছে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ইনা সিংহ। তিনি নিজেও প্রথমে জানতেন না যে টেটে প্রথম হয়েছেন।

Leave the job and prepare for TET! Ina Singh was the first in the state to tell how many hours he used to study a day

ফলপ্রকাশে কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়িতে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা একের পর এক আসতে শুরু করায় বুঝতে পারেন যে মেধা তালিকায় একটা বড় কোন কাণ্ড ঘটিয়ে বসেছেন। পরে সেই সাংবাদিকদের কাছ থেকে শুনলেন যে তিনি এবারের টেটের প্রথম হয়েছেন। ইনা জানিয়েছেন টেটে পাশ করার আশা থাকলেও প্রথম হবেন তা ভাবেননি।

আরো আপডেট: টেট পরীক্ষায় পাশ করলেই কি প্রাইমারিতে চাকরি নিশ্চিত?

টেটে প্রথম হলেও ইনা সিংহ কোন‌ও কোচিং সেন্টার ভর্তি হননি বা প্রস্তুতির জন্য আলাদা করে কিছু করেননি। তিনি একাই বাড়িতে দিনে ১০-১২ ঘণ্টা টেটের পড়াশোনা করতেন। আর তাতেই বাজিমাত। তবে এর আগে কেন্দ্রের সি-টেট পরীক্ষাতেও ভালো ব়্যাঙ্ক করেছেন। যদিও ইনার সিংহের বিশেষ নজর ছিল রাজ্য টেটে সফল হ‌ওয়ার। তবে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকতা করা তাঁর পছন্দের চাকরি হলেও পূর্ব বর্ধমানের এই তরুণীর আসল লক্ষ্য ডাব্লিউবিসিএস অফিসার হওয়া। সেই লক্ষ্যে এখনও পড়াশোনা করে চলেছেন।

ইনা সিংহ জানিয়েছেন, তিনি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকতা করলেও পাশাপাশি ডব্লুবিসিএস-এর পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন। যাতে ভবিষ্যতে ডাব্লিউবিসিএস অফিসার হতে পারেন। বাড়িতে ইনার বাবা দেবাশিস সিংহ অসুস্থ। তবে নিজের স্বপ্ন হারিয়ে ফেলতে চান না। তাই শিক্ষকতার পাশাপাশি ডব্লিউবিসিএস (WBCS)-কে চাঁদমারি করে এগোতে চান এই তরুণী।

আরো আপডেট: রাজ্যে গ্রুপ D-র ১৯১১ জনের চাকরি বাতিল হলো

ঘটনা হল টেটের ফলাফল নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গেলেও বাস্তব পরিস্থিতি বলছে টেট পাশ মানেই কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষক হয়ে যাওয়া নয়। কারণ প্রাথমিক শিক্ষক হওয়ার চূড়ান্ত পরীক্ষায় টেট পরীক্ষার ফলের গুরুত্ব মাত্র পাঁচ নম্বরের!

প্রতিদিন নতুন কোনো চাকরি এবং কাজের আপডেট মিস করতে না চাইলে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ অথবা টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হয়ে থাকুন। 

গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কগুলি (Important Links) 

WHATSAPP GROUP: Click Here

✅ TELEGRAM GROUP: Click Here

🔥 আরো আপডেট- Click Here